।। শুভ মহাসপ্তমী ।।
বেশ তো গেলো ছোটবেলার পুজোগুলো। এবার হলো গিয়ে চাকুরীজীবি হিসেবে পুজো উপভোগ করার সময়। পুজোর হিড়িকে যদিও কোনো ভাঁটা পড়েনি আজ অব্দি, কিন্তু চাকুরী করলে যা হয় আর কি। দায়িত্বের বোঝাতে অজুহাত মাথা চারা দেয় না। কোলকাতাতে যতদিন চাকরি করেছি ,ততোদিনও এই চতুর্থী, পঞ্চমী,ষষ্ঠী কম্পিউটার এর সামনে বসে অফিস করার দুঃখ ,মনের আকস্মিক উদ্বেগ গুলোর বেলুনে আলপিন ফোঁটাতো বারবার । কিন্তু আমি থেমে থাকার মানুষ নই। ঠাকুর তো দেখতেই হবে। তাই পুজোর রং বদলের একটা নতুন ধারা শুরু হলো। পঞ্চমী, ষষ্ঠী অফিস করে তারপর মা কে নিয়ে ঠাকুর দেখা। অফিস টা শেষ হওয়া মাত্রই দে ছুট। আর বাঁধাধরা শুরু হতো, দমদম পার্ক দিয়ে এবং শেষ হতো ওই শ্রীভূমি, লেকটাউন ও উল্টোডাঙ্গার সব ঠাকুর দেখে। আরো একটা নতুন জিনিসের আগমন হয়েছিল মেনু তে আর সেটা হলো , ষষ্ঠির লাঞ্চ। অফিস এর সেজেগুজে যাওয়া আর দুপুরে জমিয়ে খাওয়া। খেতে আমি প্রচন্ড ভালোবাসি আর এই সেজেগুজে পেট ভোরে ভালো মন্দ খেয়ে কাজ কে ৪ দিনের জন্য টাটা করতে যে কি মজাই হতো। তারপর তো বাকি প্ল্যান গুলো হতোই। সবার সাথে ঠাকুর দেখা, মণ্ডপে আড্ডা মারা আর শাড়ী পরে অঞ্জলি দেয়া। তারপর আমার প্রিয় বান্ধবীদের সাথে এনতার ছবি তোলা।
***








